বাংলাদেশের কিছু ধর্ম বিশ্বাসী মানুষের ধারনা যে পৃথিবীর ভেতরে নাম্বার ওয়ান সন্ত্রাসী মনে হয় আমেরিকা। তাদের আমি কোন দোষ দিচ্ছি না। কারন এই দেশের সমাজব্যবস্থাতে যে ধর্মব্যবস্থা জড়িয়ে আছে তা দ্বারা শিক্ষিত মানুষের অনেকেই না বুঝে পাঁচ বেলা একই জিনিস বার বার পড়ে আর মনে করে যে এটাই উত্তম। আমি আগেই বলি আমি নির্দিষ্ট কোন ধর্ম বা জাতি নিয়ে লেখি না। আমার কিছু নিকটজন ধর্মের উৎপত্তি। আর ধর্মের যে মিত্যাচার গুলা আছে তা প্রকাশ করেতে নিষেধ করায় আমি আর সেসব বিষয়ে লিখবো না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে যারা ধর্ম মানছেন আর অন্ধের মতো বিশ্বাস করছেন কোন বৈজ্ঞানিক যুক্তি ছাড়াই তাদের বলবো বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে আমার দেওয়া তথ্য গুলা ভুল বা মিথ্যা প্রমান করুন। আমার ওয়ালে যত লেখা দেখছেন সবই আমার লেখা এবং আমিই তার স্বত্বাধিকারী। আমাকে ভুল ধরিয়ে দিন বা আমার দেওয়া তথ্য মিথ্যা প্রমান করুন তাহলে আমি সেই বিষয়ে আর লেখবো না।
এখন কথা হচ্ছিলো আমেরিকা বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড়সড় ঘাঁটি নিয়ে। আসলে, তাদের ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বর্তমানে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে বড়সড় ঘাঁটি হলো সৌদিআরব। আর বহু আগে থেকেই বিশ্বে সন্ত্রাস ও শয়তানীর সবচেয়ে বড় ঘাঁটি সৌদিআরব। তারা একটা সময় সরাসরি সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত হতো না—কথাটা আংশিক সঠিক ছিল। কিন্তু তারা সবসময় বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসের বীজবপনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদেশকে সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতা করেছে, আর এখনও করছে, আর এখন তারা নিজেরাই সরাসরি সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ লালনপালন করে পৃথিবীকে বিভীষিকাময় করে তুলেছে। আর এরা এসব করছে ইসলামধর্মের দোহাই দিয়ে। এরা সবসময় নিজেদেরকে ইসলামধর্মের মা-বাপ মনে করে থাকে। আর তাই, এরা নিজেদের সকল অপকর্মকে বৈধ মনে করে—আর অন্যান্য দেশের মুসলমানদের সকল বৈধ কর্মকে অবৈধ মনে করে থাকে। আর সৌদিরাজপরিবারের সদস্যরা মনে করে থাকে: তাদের কোনো পাপ নাই। কিছু দিন আগে একটি সংবাদে দেখলাম এক সৌদি যুবরাজ বলেছেন যে সৌদিআরব বাদে যত মুসলিম আছে এরা কেউ সত্যিকার মুসলমান না। যার প্রমান পেলাম কয়েক লক্ষ হজ্জ্ব যাত্রীকে যখন অনুমতি না থাকার কথা বলে ফেরত পাঠিয়ে দিলো। তাদের ইসলামের প্রতি ভক্তি ও সেই কান্না আমি দেখেছি। আপনারাও দেখতে চাইলে ইউটিউব এ গিয়ে সার্চ করুন।
আমার একটি প্রশ্ন আছে। সৌদি রাজ পরিবার আর শেখরা কিভাবে মুসলিম হয়। প্রমান করতে হবে ইসলামি বিধান দিয়ে। তারা কতটা ইসলাম মেনে থাকে। এদের কার্যকলাপ সব সময় প্রমান করে তারা আসলে ওহাবী ভন্ড শয়তান বংশের প্রকৃত উত্তরাধিকারী। আমি যত দূর প্রমান পাই সৌদিআরব এর মতো অল্প শিক্ষিত একটি রাষ্ট্রকে এরা নিজেদের দখলে রেখে আকাম কুকাম করার জন্য রাজতন্ত্র টিকিয়ে রেখেছে। কিছু অশিক্ষিত জাতিকে টাকার সাহায্য করার নামে টাকা দিয়ে ধর্ম টিকিয়ে রেখেছে। আমি কিন্তু নির্দিষ্ট কোন ধর্মের কথা বলছি না। মুসলাম জাতি কি কখনও ভেবে দেখেছে সৌদিআরব এর রাজ পরিবার বা সমস্ত রাজ বংশ কাদের বংশধর। এরা কিভেবে আজ পর্যন্ত টিকে আছে। যতদুর ইসলামের ইতিহাস পড়ে জানা যায় এরা হচ্ছে শয়তান এজিদ এর বংশধর। তাদের কে মুসলিম জাতি কিভাবে মুসলমান বলে। আগেই না বুঝে নাঙ্গা তলোয়ার হাতে নিয়ে লেখকদের খুজে বেড়ায়।ব্লগার হত্যা করা হয় এদের কাছে বেহেশতের টিকেট। কেন ভাই আমি কি ভুল আর কি মিথ্যা তথ্য প্রচার করছি সেইটা আগে প্রমান করেন যুক্তি দেন। ডারউইন এর যুক্তি ভুল তাহলে আমার যুক্তি ভুল প্রমান করেন না কেন। ইসলামের মুল উৎপত্তি কিভাবে হয়েছে তা বলেন না কেন। এই শয়তানের পুত্র এজিদের বংশধারাই তৈরি রাজপরিবারকে মুসলিম বলার আগে নিজের আত্তাকে প্রশ্ন করেন না কেন।
এদেরই পুর্বপুরুষেরা একদিন কারবালার মাঠে হযরত ঈমাম হোসেনকে হত্যা করেছে যার স্পষ্ট প্রমান মেলে ইসলামে। আপনারা নিজেকে এতই সহী মুসলিম মানেন আমার পোস্ট দেখে যখন অনেকেই ঠিক থাকতে পারে না তখন বলি কেন এই হযরত ঈমাম হোসেন এর হত্যার বিচার চান না আপনারা। উলটা সেই হত্যাকারি বংশধরেদের মুসলিম বলে বিশ্বাস করেন। এতেই কি প্রমান হয় না। আমি মুসলমান আমি কোরআন পড়ি কিন্তু কিছুই বুঝি না। মনে শান্তি লাগে তাউ পড়ি। আর এতে যা লেখা আছে তা সবিই সত্য। আপনাদের মতো মডারেট মুসলাম ভাইদের মনোভাব কিন্তু তাই প্রমান করে। এই রাজবংশের উত্তরাধিকারীরা শুধু যে হজরত ঈমাম হোসেনকে হত্যা করেছে তা নই। তার আগে ইমামবংশের আরেক পুত্র হজরত ইমাম হাসানকেও হত্যা করেছে। শুধু তাই নয়, এদেরই পূর্বপুরুষগণ খলিফা ওমর, খলিফা ওসমান ও সর্বশেষ খলিফা আলীকে হত্যা করেছে। এরাই হজরত আলীর বিরুদ্ধে সিফফিনের যুদ্ধ করেছে, এরাই জঙ্গে জামালের যুদ্ধ করেছে, এরাই সিফফিনের যুদ্ধে পরাজয় অত্যাসন্ন জেনে তা থেকে বাঁচার জন্য বর্শার অগ্রভাগে কুরআনশরীফ ঝুলিয়েছিলো, এরাই কূটকৌশলে রাসুলের বংশধরদের পরাজিত করে তাদের ‘শিয়া’নামে অভিহিত করেছে। আর নিজেরা এখনও পর্যন্ত ইসলামের প্রধান শত্রু হয়েও নিজেদের ‘সুন্নী’নামে অভিহিত করে রাজতন্ত্রের ব্যবসা চালাচ্ছে। ধর্ম আপনারা পালন করেন ঠিক আছে আগে ভালো করে জানুন। কোরআন পড়েন কিন্তু বুঝে পড়েন। সন্তাস, জঙীবাদ, মানুষ হত্যা এসব পৃথিবীকে বিভীষিকাময় করে তোলে।
২৭/০৮/২০১৭



কী ভাই তুমি কি শিয়াদের মধ্যে। তোমার কথায় শিয়া গন্ধ পাচ্ছি। এজিদ কি খারাপ ছিল? এজিদ খারাপ হলে হযরত মোয়াবিয়াও খারাপ তোমার কথায়। কিন্তু তুমি জানো হযরত মোয়াবিয়ার সেনা প্রধানছিল এজিদ। হযরত মোয়াবিয়া যিনি জান্নাতের সার্টিসার্টি দুনিয়াতে পেয়েছেন। আসলে আপনার মত কিছু অবুজলোক তথ্য ভুলবুঝে ইসলামে বিভেদ সৃষ্টি করে। শেষে বলি দুনিয়াতে গিবদ সৃষ্টি করছেন।
উত্তরমুছুনকী ভাই তুমিকি শিয়াদের মধ্যে।তোমার কথা শিয়া গন্ধ পাচ্ছি। এজিদ কি খারাপ ছিল? এজিদ খারাপ হলে হযরত মোয়াবিয়াও খারাপ তোমার কথায়। কিন্তু তুমি জানো হযরত মোয়াবিয়ার সেনা প্রধানছিল এজিদ। হযরত মোয়াবিয়া যিনি জান্নাতের সার্টিসার্টি দুনিয়াতে পেয়েছেন। আসলে আপনার মত কিছু অবুজলোক তথ্য ভুলবুঝে ইসলামে বিভেদ সৃষ্টি করে। শেষে বলি দুনিয়াতে গিবদ সৃষ্টি করছেন।
উত্তরমুছুনউত্তর