বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

ধর্ম, দর্শন ও বিজ্ঞানমতে সৃষ্টিতত্ত্ব ও মানুষের চিন্তার বন্ধ দরজা।



মহাবিশ্ব ও পৃথিবী সৃষ্টির ৪ টি প্রধান মত হচ্ছে আদিমমত, ধর্মমত, দার্শনিকমত আর বৈজ্ঞানিকমত। এদানিং যেকোন একটি ধর্মের উদাহরণ দিয়ে লেখতে গেলে অনেকেরই আঘাত লাগছে। এদের মধ্যে অনেকেই মন্তব্য করার যায়গায় না লিখে আমাকে ইনবকক্স করছেন এবং প্রশ্নের তালিকা পাঠাচ্ছেন। যায় হোক আমি বরাবরই সবাইকে বলি যাদের অনুভূতি একটু নরম টাইপের যারা সামান্য লেখা দেখেই আঘাত পেয়ে থাকেন তাদের বলবো দূরে থাকতে। কয়েকদিন আগে কিছু পোলাপাইন এর ধর্মীয় বিশ্বাস এর শিক্ষা দেখে এই লেখাটি লেখার কথা ভাবলাম। আমি বিভিন্ন দার্শনিক ও ইতিহাসবীদদের লেখা পড়ে কিছু তথ্য পেয়েছি আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীটা সৃষ্টি সম্পর্কিত। আর সেই তথ্য গুলি ব্যবহার করেই এই লেখাটা লেখার চেষ্টা করেছি। যা একটু ভেঙ্গে বলতে গেলে আমাকে কয়েকটি ধর্মের গল্প বলতেই হচ্ছে। মুলত বিজ্ঞান আমাদের পৃথিবী সৃষ্টির কি কি কারনের কথা বলেছেন আর প্রচলিত ধর্ম গুলি আমাদের এ বিষয়ে কি শিক্ষা দিচ্ছে তার কয়েকটি উদাহরণই এই লেখার মুল বিষয়। লেখার উদ্দেশ্য ও উৎসর্গ করছি আবার সেই জ্ঞানি ও শিক্ষিত যুবক সমাজকেই যারা একটি বিশ্বাস এর পা ধরে কান্নাকাটি করছে। আমার লেখার পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি থাকতে পারে আমি অবশ্যয় সকলের কাছেই তার মতামত আশা করি।
খৃস্টান বা ইহুদি ধর্ম মতে।
প্রথমেই খ্রিস্টান ধর্মের কথা বলা যাক। কারন কিছুদিন আগে ইসলাম ধর্মের একবিষয়ে বাইবেলের থেকে নেওয়া কিছু কথা এক ছোট ভাইকে জানালে তার প্রথম যুক্তি সে দেয় এভাবে, ভাই কি বাইবেল নিয়ে পিএইচডি করেছেন নাকি। তাকে আমি বলি কোন ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ক্রিটিকালি এনালাইসিস করতে গেলে পিএইচডি করা লাগে না। এই ধর্মটির প্রধান ঐশ্বরিক কিতাব ছোট ছোট অনেক গুলি মিলে তৈরি এবং যার নাম হচ্ছে পবিত্র বাইবেল। এই বাইবেলের আবার দুইটি পার্ট আছে একটি কে বলা হয় আদী বাইবেল এরেকটিকে বলা হয় শুধু বাইবেল। এরমধ্যে আবার বাইবেলের দুইটি অংশ আছে প্রথম অংশ এবং শেষ অংশ। এই প্রথম অংশ যারা মেনে থাকে তাদেরকে আমরা ইহুদী বলে থাকি। আর দ্বিতীয় অংশ যারা মেনে থাকে তাদেরকে আমরা খ্রিস্টান বলে থাকি। তবে বাইবেলের প্রথম অংশে যে আদীপুস্তক এর জেনেসিস বলে একটি অধ্যায় আছে তাকে ইহুদী আর খ্রিষ্টান দুই সম্প্রদায়ের মানুষই মেনে থাকে। আর এই আদী পুস্তক জেনেসিস এ যেভাবে পৃথিবী সৃষ্টির কথা উল্লেখ আছে তা সংক্ষেপে জানালাম।
আদীপুস্তক ১:১ "আদীতে ঈশ্বর সবার আগে আকাশ মন্ডল ও পৃথিবী তৈরি করিলেন। যেহেতু পৃথিবী থেকে আকাশ সবার আগে দেখা যায় তাই মনে হয় আগেকার মানুষ এমনটি ভেবেছেন। অনেকের মতে আকাশ পানির তৈরি। কারন পানির কোন রং নেই আর সুর্য রশ্মির সাতটি রঙ এর মধ্যে একটি নীল রং আছে বায়ুমণ্ডল এ আটকা পড়ায় তা নীল রঙ হয়ে দেখা যায়। আর সেই নীল যখন সুমদ্রের পানিতে পড়ে প্রতিফলিত হয় তখন মনে হয় পানির রঙ নীল। আর তাই আদী মানবরা ধারনা করেছিলেন যে আকাশ পানির তৈরি। এর পর আদীপুস্তক জেনেসিস ১:২ - "পৃথিবী ঘোর ও শুন্য ছিলো এবং অন্ধকার জলধির উপর ছিলো। এখন এখানে কথা আছে। আগের ১:১ তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী শুধু আকাশ আর পৃথিবী তৈরির কথায় বলা আছে। যে জলধির উপরে পৃথিবী রাখা আছে সেটা তৈরির কথা কোথাও বলা নেই। তবে অনেকেই ধারনা করে থাকেন মাটির নিচ থেকে আমরা যে পানি পেয়ে থাকি সেই ধারনা থেকেই তারা এমনটি লিখেছিলেন মনে হয়। ১:৩-৫ এখানে ঈশ্বর বলেছেন "দীপ্ত হোক" আর তাই দ্বীপ্ত হয়ে গেলো এবং ঈশ্বর দীপ্ত উত্তম দেখিলেন আর পৃথক করিয়া দিলেন, আলোকে দিবস আর অন্ধকারকে রাত্রি বানাইলেন। এবং প্রথম সন্ধ্যায় প্রথম দিবস শুরু হইলো। এখানে কিন্তু এখনও সুর্যের সৃষ্টি হয়নি শুধু ঈশ্বরের কথা মতো দিন আর রাত তৈরি হয়ে গেলো। আদী ১:৬-৮ পরে ঈশ্বর কহিলেন জলের মধ্যে বিতান (শুন্য) হোক আর জলকে পৃথক করুক। পরে ঈশ্বর বিতানের নাম আকাশ মন্ডল রাখলেন। আদী ১:৯-১০ পরে ঈশ্বর কহিলেন, আকাশমণ্ডল এর নীচস্থ সমস্ত জল একস্থানে সংগ্রহীত হোক, তাতে সেরকম হলো। আর তার নাম দিলেন সুমদ্র। আর সন্ধ্যা হয়ে যাওয়াতে ২য় দিন হয়ে গেল। আদী ১:১১-১৩ পরে ঈশ্বর কহিলেন, ভুমি, তৃন, বীজোৎপাদক ঔষধি ও সবজী স্ব স্ব জাতি অনুযায়ী ফলের বৃক্ষ ভুমির উপরে উৎপন্ন হোক। তাই হলো এবং সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার ফলে তৃতীয় দিন হলো। এই খানে কথা আছে, আমি জানি এতো কথা বলতে গেলে লেখা হয়ে যাবে অনেক বড় তখন পড়তে পড়তে আপনার ধৈর্য হারিয়ে ফেলবেন তাই চেষ্টা করছি যতটুকু সংক্ষেপ করা যায়। এখানে ২য় দিন পর্যন্ত ঈশ্বর গাছ-পালা তৈরি করলেন কিন্তু সুর্য ছাড়াই। তাহলে কার্বনডাই - অক্সাইড বাদে গাছ গাছালি জন্ম নিলো কিভাবে। আদিপুস্তক জেনেসিস এর ১:১৪-১৯, ১:২০-২৪, ১:২৫-২৭, এই সমস্ত অধ্যায় দিয়ে ঈশ্বর মুখের কথায় সপ্তম দিন নাগাদ এই সুন্দর পৃথিবী সৃষ্টি করলেন এবং তার কাজ বন্ধ করলে। উপরের ছয়দিনে ঈশ্বর সৃষ্টি করলেন একটি চন্দ্র, একটি সুর্য, একটি পৃথিবী, ও ৬ হাজার নক্ষত্র ( ছয় হাজারের বেশি নক্ষত্র খালি চোখে দেখা যায় না) এবং যাবতীয় জীবের এক জোড়া করে জীব মাত্র। বাইবেলের মতে জগত বা আদম সৃষ্টি হয়েছিলো ৪০০৪ খ্রিস্টপূর্ব আজ থেকে ৬০২১ বছর আগে মাত্র।
বৌদ্ধ ধর্ম মতে।



এই জাতীয় যত ধর্ম আছে সেই ধর্মেই আমি দেখলাম কেউ এতো কিছু তৈরির দাবি করে না। তারা সহজ ভাবেই বলেছেন যে, এই পৃথিবী কোন দিন কেউ সৃষ্টি করে নি। পৃথিবীরর সৃষ্টিকর্তা কেউ নেই। এই পৃথিবী যেমন দেখছেন তেমন ছিলো আর তেমনই থাকবে। শুধু কর্মানুসারে প্রানীসমূহ এই জগত সংসারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। খুব ভালো কথা আমার এদের মনোভাব পছন্দ হয়েছে।
ইসলাম ধর্ম মতে।
মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কোরআন মতে, যে কোন একটি নির্দিষ্ট সময়ে আল্লাহ কর্তৃক এই পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে এবং তা একটি নির্দিষ্ট সময়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। এই যে পৃথিবী সৃষ্টি সেই সম্পর্কে পবিত্র কোরআন এ বিক্ষিপ্ত ভাবে অল্পকিছু বর্ণনা পাওয়া যায় যেমন, সূরা সেজদা ( ১:৪), তিনি আল্লাহ, নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলীয় এবং এর ভেতরে যা কিছু আছে তা ছয়দিনে সৃষ্টি করেছে। সূরা সেজদা ( আয়াত ৭) তিনিই মাটি দিয়ে মানুষ তৈরি শুরু করেছেন। সূরা সাফফাত (৬) নক্ষত্র তৈরি, সূরা হামিম ( ৯/১০/১২) আকাশ, পাহাড়, এই সব কিছুই দুই দিনে সৃষ্টির কথা বলা আছে। সূরা কাফ ( ৩৮) এখানেও নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলীয় সব কিছু ৬ দিনে সৃষ্টি করার কথা বলা আছে। মুসলমানদিগের ধর্ম গ্রন্থ মতে সৃষ্টি করা প্রানীদের ৪ টি স্তর আছে। যেমন - ফেরেশতা, জ্বীন, মানুষ ও শয়তান। এদের সকলকেই আল্লাহ সৃষ্টি করেছে এবং তার কিছু সংখিপ্ত বর্ণনাও পাওয়া যায়। লেখার দীর্ঘতার কারনে তা এখানে উল্লেখ করছি না। তবে তার সব সৃষ্টি পদ্ধতি বা ঘটনা একেবারেই খ্রিস্টান ধর্মের মতের সাথে মিলে যায় যেমন শুধু মানুষ সৃষ্টির কথা ঠিক এরকম যে,
মানুষের আদিপুরুষ হচ্ছে আদম। আদমকে সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আল্লাহ ফেরেশতাদের মতামত চাই কিন্তু ফেরেশতারা কেউ তাকে এ বিষয়ে মত দেয় না। কিন্তু তারপরেও আল্লাহ ইস্রাফিল নামক ফেরেশতা কে পৃথিবী তে পাঠান মাটি আনার জন্য। কিন্তু মাটি এই আদম তৈরি করার কথা শুনে সেটা দিতে নারাজ হয়। মাটি তার মাটি না দেওয়ার কারন হিসাবে বলেন যে, এই আদম আল্লাহর অবাধ্য হবে তাই আমি মাটি দেবো না। এর পরে আরো দুইজন ফেরেশতাকে আল্লাহ মাটি আনতে পাঠান কিন্তু কেউ সাকসেস হয় না। পরে আজ্রাইল নামক ফেরেশতা জোর পুর্বক কিছু মাটি যা বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য এর সৌদিআরব এর মক্কা নামক শহর থেকে সংগ্রহ করে নিয়ে যান। এবং এই পৃথিবী সৃষ্টির ষষ্ঠ দিনের বিকাল বেলা আল্লাহ মানুষের শরীর তৈরি ও তাতে ফু দিয়ে প্রান দিয়ে দেন। এভাবেই মানুষ এর সৃষ্টি হয় বলে ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করে থাকেন। পবিত্র কোরআন প্রসিদ্ধ অনুবাদক ডক্টর সেল বিভিন্ন অনুসন্ধান এর পরে বলেছেন, স্বর্গগত অভিব্যক্তিতে মোহাম্মদ ( সাঃ) ইহুদীদিগের মতেরই অনুসরণ করেছেন বলে মনে হয়। এদিকে ইহুদীগন আবার পারসিকদিগের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছিলেন। যেমন, জ্বীন সম্মন্ধে তিনি বলেছিলেন "ইহুদীদের মধ্যে শেদিম ( Shedim.) নামক এক দৌত্যের পরিচয় পাওয়া যায়। জ্বীনগন তাদেরই রুপান্তর। তবে আজ পর্যন্ত কেউ এদের দেখা পায় নাই।
পৃথিবীতে বহুল প্রচলিত ধর্মগুলির মধ্যে হিন্দু ধর্মের অবস্থান আছে। এই ধর্মের পৃথিবী আর জগত সৃষ্টির ঘটনা আবার একটু জটিল ও প্যাঁচওয়ালা। একেবারেই রুপকথা দিয়ে বানানো মতো কিছু যা এখানে আমি উল্ল্যেখ করছি না লেখার দীর্ঘতার কারনে। তা বাদেও এই পৃথিবীতে এ পর্যন্ত ৩০০০ ধর্মের আবির্ভাব ঘটেছে মতান্তরে ৫২০০ ধর্ম আর এই সব ধর্মের বিভিন্ন ধরনের মতামত পাওয়া যায় এই পৃথিবী তৈরিতে। আমি এখানে কিছু দার্শনিক এর নাম বলছি যারা এপর্যন্ত তাদের মতামত জানিয়েছেন।
দার্শনিক মতে।



মানুষের মনে সেই আদিকাল থেকেই বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন তৈরি হতে থাকে কে কিভাবে এই জগত সৃষ্টি করেছিলো। যুগে যুগে যেমন প্রশ্ন তৈরি হলো তেমনি তার উত্তর পাওয়া গেলো বিভিন্ন ধর্ম মতে ও দার্শনিকদের মতে। বিজ্ঞান বাদে শুধু দার্শনিকদের একটি দল এমন মনোভাব ব্যক্ত করলেন যে, মানুষের চেয়ে বহুগুন শক্তিশালী এক জীব সৃষ্টি করেছেন এসব। এবং তা রক্ষা এবং প্রতিপালনের দায়িত্ব তিনিই পালন করেন। কারো কারো মতে সৃষ্টিকর্তা একজন আবার কারো কারো মতে সৃষ্টিকর্তা অনেকজন। যাই হোক তাদের নাম রাখা হলো, ঈশ্বর, দেবতা, ভগবান, আল্লাহ ইত্যাদি। কিছু দিন পার হতে না হতেই আবার মানুষের সন্ধানী মনে প্রশ্ন তৈরি হলো কিভাবে ? তখনকার সময়ে অনেক দার্শনিককে ধর্মের দোহাই আর ভয় ভীতি দেখিয়ে আটকিয়ে রাখা সম্ভব হইনি তাই তাদেরকে হত্যা করেছেন যারা এই জাতীয় ধর্মের দোহাই দিয়ে লাভবান হতেন এবং সমাজে বেচে থাকতেন। তাদের মধ্যে কিছু দার্শনিক হচ্ছে থেলিস, আনাক্সিমান্দর, পিথাগোরাস, জেনোফেন্স, হিরাক্লিটাস, এন্টিডোক্লোস, আনাক্সিগোরাস, ডেমোক্রিটাস, লিউকিপ্পাস, সক্রেটিস, প্লেটো, এরিস্টটল, লেবনীজ সহ আরো অনেকে। এদের মধ্যে আবার অনেকেই ছিলেন ধর্মিও মতামতের পক্ষে। কিন্তু তাদের কেউ ঐশ্বরিক দূত বা নবীদের মতো সীকৃত নয়।
বিজ্ঞান বা বিবর্তন মতে।
বিজ্ঞান ও বিবর্তন মতে প্রতিটি বিষয়ের ভাগ এবং উপবিভাগ করা হয়েছে এবং যা এখন পর্যন্ত চলমান আছে যেমন সৌরবিজ্ঞানীদের মতে এখন পর্যন্ত মহাবিশ্ব সম্পর্কে মানুষ যা কিছু জানতে পেরেছে তা কিছুই না এটার ৯৯.৯% এখনও মানুষের অজানা আছে। তবে বিজ্ঞানের বা বিবর্তনের তথ্য দিয়ে তৈরি এই সৃষ্টির রহস্য কোন ধর্মীয় কিতাবের মতো একটি বই দিয়েই তার সমাধান করে দেওয়া সম্ভব হয়নি। তার জন্য বিজ্ঞানের প্রয়োজন পড়েছে হাজার হাজার গবেষণা গ্রন্থ লেখার এবং তা এখনও অব্যাহত আছে। কিছু ধর্ম বিশ্বাসী সদ্য চোখফোটা বিজ্ঞানের স্টুডেন্টদের দাবী তারা ৯ বছর বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করে এই বিশ্বাসে উপনীত হয়েছে যে, ধর্মীয় কিতাব বা তাদের মতে ঐশ্বরিক কিতাবে যা লেখা আছে এই ৯ বছরের বিজ্ঞান শিক্ষা তাদেরকে একই জিনিস শিখিয়েছে। আমি এই লেখার মধ্যমে তাদের চিন্তার দরজা আরেকটু খুলে দিতে চেয়েছি জানিনা কতটুকু পেরেছি। আমি আর এ বিষয়ের আলোচনাই যাচ্ছি না পরবর্তীতে বিবর্তন নিয়ে একটি লেখা লেখবো।

------------- মৃত কালপুরুষ
                  ২২/০৮/২০১৭

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন