আজকাল
বিবর্তনবাদ নিয়ে কোথাও কোন লেখা বা অলোচনা দেখলেই আগে দেখা যায় ধর্ম বিশ্বাসী
ভায়েদের বিশাল এক বিবর্তনবাদকে ভুল প্রমান করা কেচ্ছা কাহিনী পৃথিবীর প্রথম মানব
মানবী আদম আর হাওয়া কে নিয়ে তারা টানাটানি করে। আসলে দেখুন এটা না করে উপাই কি
বলুন। আমি এর আগেও বলেছি আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা থেকে কৌশলে একটি শ্রেনী এই
বিবর্তনবাদ নিয়ে যত বিজ্ঞান আছে তা তুলে দিচ্ছে। এখন বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
গুলির বিজ্ঞান বই খুজলে কোথাও পাওয়া যাবে না যেখানে বিবর্তনবাদ সম্পর্কে স্বচ্ছ
ধারনা দেওয়া আছে। এর মধ্যে আবার সেদিন ঢাকা ট্রিবিউন প্রকাশ করলো যে ইন্টারমিডিয়েট
এর ফিজিক্স ২য় পত্র বই এর ৬৩৪ পৃষ্ঠায় বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংস এর এক পরিচিতি পর্বে
ইংলিশ অভিনেতা এডি রেডমাইন এর ছবি দিয়ে বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংস বলে চালানো হচ্ছে।
সেই বই আবার ন্যাশনাল কারিকুলাম এন্ড টেক্সটবুক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক অনুমোদনও
পেয়েছে। এই কথাটি এখানে তোলার কারন হচ্ছে বাংলাদেশের শিক্ষিত সমাজের অধিকাংশ কেন আজ
বিবর্তন তত্ব বাদ দিয়ে আদম হাওয়া কেচ্ছা কাহিনীতে আটক হয়ে আছে তার নমুনা স্বরুপ
তবে এটা বাদেও আরো অনেক কারন আছে।
আজকাল
আমাদের দেশে বিবর্তন বাদ নিয়ে কোন আলোচনা নাই বললেই চলে। পক্ষান্তরে এদেশের
বিভিন্ন বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরেট করা প্রফেসর থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় বড় ডিগ্রীধারী, শিক্ষক, ইঞ্জিনীয়ার, ডাক্তার, বিজ্ঞানী, উকিল, ব্যরিষ্টার, নেতা, পাতিনেতা, চামচা
অনেকেই এ আদম-হাওয়া তত্ত্ব বিশ্বাস করে। শিক্ষাগত যোগ্যতা যতই থাকুক বা
জ্ঞানবিদ্যা যতই থাকুক সেটা এই আদম হাওয়া গল্পের বিশ্বাসে সামান্যতম চিড় ধরাতে পারে
না বা পারেনি তা প্রমানিত আমার কিছু লেখা ও তার নিচের মন্তব্যগুলি। এর কারন
দেখুন বাংলাদেশের স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে যতবার না বিবর্তন সম্পর্কে ধারনা
দেওয়া হচ্ছে তার থেকে হাজার গুল বেশি ধারনা দেওয়া হচ্ছে এই আদম হাওয়া গল্প নিয়ে
বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসায়, ওয়াজ মাহফিলে, মিলাদে বা অন্যান্য মাধ্যমে যার শেষ নেয়।
এসব আমাদেরকে এক প্রকার শুনতে বাধ্য করা হচ্ছে যে বিবর্তনবাদ একটা ভুয়া ও ভুল তত্ব
যার কোন ভিত্তি নেই কিন্তু আদম হাওয়া কেচ্ছা ১০০% সত্য যার কোন ভুল নেয়। এর আরেকটি
কারন আমি বলেছিলাম অনেক আগেই যেটা, আমাদের ৫০ থেকে ১০০ বছরের সংক্ষিপ্ত একটি জীবনে
কোটি কোটি বছর আগের ইতিহাস নিয়ে জানার চেষ্টা করার থেকে কেউ একজন আমাদের মাটি দিয়ে
বানিয়ে ফু দিয়ে প্রান দান করে এই পৃথিবীতে ছেড়ে দিয়েছেন সেটা বেশী গ্রহনযোগ্য বলে
মনে হয়। তাই তো আমরা বিবর্তনবাদ বিশ্বাস করা থেকে আদম হাওয়া গল্প বেশি বিশ্বাস করে
থাকি।
প্রথিবীতে যুগে যুগে
বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্থের আবিষ্কার হয়েছে যার প্রায় সবকয়টিতে এরকম একজন প্রথম মানব
মানবির ধারনা দেওয়া হয়েছে সেই সব ধর্ম বিশ্বাসীদের মাঝে। সর্বশেষ ইহুদী, খৃস্টান ও
ইসলাম ধর্মে এসে দেখা যায় সেটা রুপ নিয়েছে এডাম ও ইভ বা আদম ও হাওয়া নামে। এখন
আমরা বিবর্তন হোক আর ইসলামের ইতিহাস হোক আর ইসলাম ধর্মের উৎপত্তিকাল হোক এই জাতীয়
কোন তথ্যপূর্ণ আলোচনা করে কিছু লিখলেই দেখা যায় সেখানে আদম হাওয়া প্রথিবীর প্রথম
মানব মানবী এবং তারাই প্রথম মুসলমান এমন দাবী করা হয় সব থেকে বেশি। আবার অনেক মডারেট
ধর্মপ্রান ভায়েরা তাদের ধর্মীয় গ্রন্থের অনেক নমুনা টেনে এনে দেখাতে থাকেন। কিন্তু
আমরা বিভিন্ন ভাবে জানতে পারি বাইবেল মতে আদম হাওয়া পৃথিবীর প্রথম মানব মানবী
যাদের প্রথিবীতে পদার্পন খ্রিস্টপুর্ব ৪০০৪ সালে বাইবেলের আদী পুস্তক জেনেসিস মতে।
তার মানে দাড়াচ্ছে আজ থেকে মাত্র ৬০২১ বছর আগে এই আদম হাওয়া পৃথিবীতে আসে। কিন্তু
এই কথা বললে ইসলাম ধর্ম বিশ্বাসী ভায়েরা বলেন যে তাদের ইসলাম ধর্মে এরকম কোন কথা
কোথাও উল্লেখ নেই যে আদম হাওয়া কবে নাগাদ এই পৃথিবীতে এসেছেন। কিন্তু তারা এটা বলে
যে আদম হাওয়া থেকে তাদের শেষ নবী ও প্রধান নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর দুরত্ব ৮৫ টি
প্রজন্ম বা মতান্তরে ৯০ টি প্রজন্ম যাদের মধ্যে এ পর্যন্ত এই পৃয়হিবীতে ১ লক্ষ ২৪
হাজার নবী রাসূল এর আগমন ঘটেছে মতান্তরে ২ লক্ষ ২৪ হাজার নবী রাসূলের আগমন ঘটেছে।
আধুনিক যুগে এসে
আমরা জানতে পারি ইসলাম ধর্মের প্রচার শুরু হয়েছে নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্মের ৪০
বছর পর থেকে বর্তমান সৌদি আরবের মক্কা নামক শহর থেকে ৬১০ খ্রিস্টব্দে আজ থেকে
মাত্র ১৪০৭ বছর আগে। এর আগে মক্কা নামক সেই যায়গার আগের ইতিহাস আমরা বলতে গেলে
তারা দাবী করে এর অনেক আগে থেকে মানে আদম থেকে এই ইসলাম এর সুত্রপাত। কিন্তু দেখুন
আদমের পৃথিবীতে পদার্পন সম্পর্কে অন্যান্য ধর্ম কিছুটা স্পস্ট ধারনা দিলেও ইসলাম
ধর্ম তা দেয়া না। তবে আমরা যে সহী বুখারী মতে ৯০ প্রজন্ম সেই মতে সামনে আগালে কি
দেখতে পায় সেটা দেখার চেষ্টা করবো। এই যে ১ লক্ষ বা ২ লক্ষ ২৩ হাজার বা ২৪ হাজার
নবী রাসূল এর আগমনের কথা আমরা শুনতে পায় সেসব নবী রাসুলদের মধ্যে আমরা ১০০ জনের
নামও কোথাও খুজে পায় না। তবে প্রথম মানব আদমের নাম ঠিকই পায়। আমি এই আদম ও নবী
রাসূলদের অনেক খোজ খবর করে এটা নিয়ে অনেক আলোচনা করে দেখেছি মাত্র ৯০ থেকে ১০০
জনের নাম জোগার করা সম্ভব। আদম থেকে নবী মুহাম্মদ সাঃ এ এসে নবী রাসুল প্রেরন করা
বন্ধ করা হয়েছে। সেই মতে হিসেব করলেও আমারা বিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্ট মানব এর ধারে
কাছেও যায় না।
আমরা জানি আজকের এই
সভ্য মানুষ বা তাদের পুর্ব পুরুষ হোমোস্যাপিয়েন্স রুপ লাভ করেছে আজ থেকে মাত্র ৩০
থেকে ৫০ হাজার বছর আগে। এর আগে আমাদের পুর্বপুরুষদের একটি দল নেয়ান্ডারথাল গোত্র
প্রাকৃতিক পরিবর্তনের কারনে যেকোন ভাবে সবই মারা পড়েছিলো। তবে বর্তমান ইথিওপিয়াতে
আমরা আজ থেকে ১ লক্ষ ৩৯ হাজার বছর আগের একটি হোমোস্যাপিয়েন্স গোত্রের মানুষের
সন্ধান পেয়েছিলাম যারা মানুষের মতো দুই পায়ে ভর দিয়ে হাটতো। সেটা থেকেও আরো আগের
বর্তমান সময় থেকে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার বছর আগের হোমোস্যাপিয়েন্স এর পায়ের ছাপ পাওয়া
গিয়েছে বর্তমান সাউথ আফ্রিকাতে। এসবই আমাদের বারবার প্রমান দেয় যে কথিত আদম ও
হাওয়ার যে গল্প বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরবের একটি ধর্ম মতে মানুষকে শোনানো হয়
তা সম্পুর্ন অবিশ্বাস্ব একটি গল্প ও যা একেবারেই যুক্তিহীন। কারন তাদের কোন ধর্মীয়
সূত্রই ৬ হাজার বছর থেকে ৯ হাজার বছরের বেশি চিন্তা করতে দেয় না। আর তাই আমি বলি
যে বিবর্তনবাদ মানুষের যে আগমনের কথা আমাদের বলে তা (সভ্য মানুষ) ৫০ হাজার বছর আর (অসভ্য
মানুষ) ১ লক্ষ ৮৫ হাজার বছর এর ধারে কাছেও ৬ হাজার বছরের ইতিহাস নিয়ে লড়তে যাওয়া
যায়না।
এখন প্রায় শুনতে
পাওয়া যায় বিবর্তনবাদ শুধুই একটি ধারনা যা প্রাপ্ত প্রানীর মৃত দেহের ফসিল থেকে
অনুমান করা হয়। তাদের বলবো দেখুন এখন বিজ্ঞান অনেক উন্নত হয়েছে। এখন আর
বিবর্তনবাদীদের প্রানীর মৃত দেহের ফসিল এর প্রয়োজন পড়ে না বিবর্তন প্রমান করতে। এক
সময় মাটির তলে প্রাপ্ত ফসিল ছিল বিবর্তনবাদ তত্ত্ব প্রমানের একমাত্র উপায়, কিন্তু বিগত
কয়েক দশকে জেনেটিক্স বা বংশগতি বিদ্যার ব্যপক উন্নতির কারনে, বিবর্তনবাদ
প্রমান করতে আর ফসিলের দরকার তেমন একটা নেই। গবেষণাগারে দুনিয়ার জীবকুলের জেনেটিক
কোড বিশ্লেষণের মাধ্যমেই দ্ব্যর্থহীন ভাবেই প্রমান করা যাচ্ছে যে- দুনিয়ার সকল
জীবের উত্থান ঘটেছে কোন এক সরল এককোষী জীব থেকে। তার অর্থ বিবর্তনবাদীদের তত্ত্ব
মোতাবেক, পৃথিবীতেই সকল জীবের উদ্ভব ঘটেছে আর যা তারা বংশগতি বিদ্যা
দ্বারা সন্দেহাতীত ভাবে প্রমান করে দিতে পেরেছেন।
এখন
আসুন খুজে দেখি আমরা আদমের পরে কতজন নবী রাসুল এর নামের তালিকা ধর্ম গ্রন্থ ও
ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে রিসার্চ করা গ্রস্থ গুলি থেকে আমরা পেয়ে থাকি নবী মুহাম্মদ (সাঃ)
পর্যন্ত। এখানে কথা আছে, এর বাইরে বা আগে পরে যদি অন্য কোণ নবী রাসুলের সন্ধান কেউ
দিতে পারেন তো দিবেন সমস্যা নাই। কিন্তু এটাই হচ্ছে মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের দাবী
করা আদম থেকে মুহাম্মদ এর ৯০ প্রজন্ম এর তালিকা।
হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ), তাঁহার
পিতা আব্দুল্লাহ, তাঁহার পিতা
আব্দুল মোত্তালিব, তাঁহার পিতা
হাসিম, তাঁহার পিতা আব্দ মানাফ, তাঁহার
পিতা কুছাই, তাঁহার পিতা
কিলাব, তাঁহার পিতা মুরাহ, তাঁহার
পিতা কা’ব তাঁহার
পিতা লুই, তাঁহার পিতা গালিব, তাঁহার
পিতা ফাহর, তাঁহার পিতা মালিক, তাঁহার
পিতা আননাদর, তাঁহার পিতা
কিনান, তাঁহার পিতা খুজাইমা, তাঁহার
পিতা মুদরাইকা, তাঁহার পিতা
ইলাস, তাঁহার পিতা মুদার, তাঁহার
পিতা নিজার, তাঁহার পিতা মা’দ, তাঁহার
পিতা আদনান, তাঁহার পিতা
আওয়াদ, তাঁহার পিতা হুমাইসা, তাঁহার
পিতা সালামান, তাঁহার পিতা আওয, তাঁহার
পিতা বুয, তাঁহার পিতা কামওয়াল, তাঁহার
পিতা ওবাই, তাঁহার পিতা আওয়ান, তাঁহার
পিতা নাসিদ, তাঁহার পিতা
হিযা, তাঁহার পিতা বালদাস, তাঁহার
পিতা ইয়াদলাফ, তাঁহার পিতা
তাবিখ, তাঁহার পিতা জাহিম, তাঁহার
পিতা নাহিস, তাঁহার পিতা মাখি, তাঁহার
পিতা আ”য়েফ তাঁহার
পিতা আবকার, তাঁহার পিতা
উবাইদ, তাঁহার পিতা আদ দাহা, তাঁহার
পিতা হামদান, তাঁহার পিতা
সানবার, তাঁহার পিতা ইয়াসরিবি, তাঁহার
পিতা ইয়াহজিন, তাঁহার পিতা
ইয়ালহান, তাঁহার পিতা ইরাওয়া, তাঁহার
পিতা আইযি, তাঁহার পিতা যিশান, তাঁহার
পিতা আইছার, তাঁহার পিতা
আফনাদ, তাঁহার পিতা আইহাম, তাঁহার
পিতা মুকাসির, তাঁহার পিতা
নাহিস, তাঁহার পিতা যারিহ, তাঁহার
পিতা সামি, তাঁহার পিতা মায্যি, তাঁহার
পিতা ইওয়াদ, তাঁহার পিতা
ইরাম, তাঁহার পিতা হিদার, তাঁহার
পিতা হযরত ইসমাইল (আঃ), তাঁহার পিতা
হযরত ইবরাহিম (আঃ), তাঁহার পিতা তারক
তাঁহার পিতা নাহুর, তাঁহার
পিতা সারুয, তাঁহার পিতা রা’উ, তাঁহার
পিতা ফাহিয, তাঁহার পিতা
আবীর, তাঁহার পিতা আফরাহশাদ, তাঁহার
পিতা সা’ম, তাঁহার
পিতা হযরত নূহ (আঃ), তাঁহার পিতা
লামিক, তাঁহার পিতা মাতু সালিখ, তাঁহার
পিতা হযরত ঈদ্রীস (আঃ), তাঁহার পিতা
ইয়ারিদ, তাঁহার পিতা মালহালিল, তাঁহার
পিতা কিনান, তাঁহার পিতা আনস, তাঁহার
পিতা হযরত শীস (আঃ), তাঁহার পিতা
হযরত আদম (আঃ) যার কোন পিতা নাই সে সরাসরি পৃথিবীতে এসেছেন বলে দাবি করা
হয়।
এখানে মুসলমান বলে দাবি করা নবী রাসূলদের ৯০ টি
প্রজন্ম তথা আদম থেকে শুরু করে নবী মুহাম্মদ (সাঃ) পর্যন্ত সকলের নাম আছে। বলা হয়
১ লক্ষ ২৪ হাজার নবী রাসুলের আগমন ঘটেছিলো এই পৃথিবীতে কিন্তু এই নাম বাদে বাদ
বাকী কারো কোন হদিস নেই। এই হিসাবে হিসাব করলেও প্রত্যেকের গড় আয়ু যদি আমরা ১০০
বছর করে ধরি তাহলে ৯ হাজার বছরের বেশি হচ্ছে না আদম এর পৃথিবীতে পদার্পন। আবার যদি
১ লক্ষ ২৩ হাজার নবী রাসুল এর হিসাব করি ১০০ বছর গড় আয়ু ধরে (যাদের কোন নাম ঠিকানা
ইসলাম ধর্মের কোথাও নাই) তাহলে দেখা যাচ্ছে ১২ কোটি ৩ লক্ষ বছর আগে আদম এর আগমন ঘটেছে
এই পৃথিবীতে। কিন্তু আমরা জানি ক্রিটেশিয়াস যুগের পরে আজ থেকে প্রায় ২৩ কোটি বছর আগে
জুরাসিক যুগের শুরু হয়েছিলো এই পৃথিবীতে যার শেষ হয়ে আজ থেকে প্রায় ৬ কোটি বছর
আগে। তাহলে এই ১ লক্ষ ২৩ হাজার নবী রাসুলের হিসাবে গেলে দেখা যায় আদম এর আগমন
ঘটেছিলো সেই জুরাসিক যুগে ডাইনোসরের সময় এটা কিভাবে সম্ভব সেটা কিন্তু আদম হাওয়া
গল্প লেখকেরা বলে নাই।
তারপরও উদাহরন স্বরূপ- ডাইনোসর এর কথা ধরা যায় যারা প্রায় ৬
কোটি বছর আগে দুনিয়া থেকে চিরতরে অবলুপ্ত হয়ে যায় কোন এক অজানা কারনে। ওরা বিলুপ্ত
হয়ে গিয়েছিলো বলেই উষ্ণ রক্তবাহী স্তন্যপায়ী প্রানীর বিকাশ সম্ভব হয় পৃথিবীতে।
ডাইনোসররা বিলুপ্ত না হলে হয়ত স্তন্যপায়ী প্রানীদের বিকাশই ঘটত না আর তাহলে আজকে
মানুষের মত দুপেয়ে জন্তুগুলো দুনিয়াতে না দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা হতো অধিক।
ডাইনোসরদের দাপটে স্তন্যপায়ী প্রানীদের টিকে থাকাই হতো দায়। সেক্ষেত্রে আমাদের মত
কতিপয় মুক্তমনা সদস্যদের জন্য সেটা হতো দারুন দু:সংবাদ। পৃথিবীর রঙ্গ মঞ্চে
মানুষের আবির্ভাব বলতে গেলে এই সেদিনের ব্যপার। এখন আমি এখানে সব কিছুই
সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করেছি তারপরেও অনেক দীর্ঘ হয়ে গিয়েছে লেখা। আমার ভুল হতে
পারে কিছু কিছু তথ্য তাই পাঠককে অনুরোধ করবো ভুল ধরিয়ে দিতে। তবে হ্যা পাব্লিক
ব্লগে আমার লেখা যায় সেখানে আমি মাঝে মধ্যে গিয়ে দেখি খুবই নোংরা ভাষা ব্যাবহার
করে এক শ্রেনীর মানুষ তাদের মতামত জানাচ্ছে। এটা আমার মতে লেখার পরিবেশ নষ্ট করা
ছাড়া আর কিছুই না। তাই অনুরোধ থাকবে আপনার যুক্তিতর্ক করুন গঠন মুলক তবে সেটা সভ্য
ভাষা ব্যাবহার করে।
---------- মৃত কালপুরুষ
১২/১০/২০১৭
x










কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন