ড. মরিস বুকাইলি এর ধর্ম পরিবর্তন নিয়ে কিছু
সংক্ষিপ্ত আলোচনার জন্য এই লেখাটির প্রয়োজন পড়লো। একজন প্রশ্ন করেছিলো মরিস
বুকাইলি কেন ইসলাম ধর্ম গ্রহন করলো। আসলে আ্লোচনা যখন একটু দীর্ঘ হয় তখন তো আর
মন্তব্য করে উত্তর দেওয়া যায় না। তাই লিখেই উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করলাম। ইসলাম
হচ্ছে একটি মতবাদ আর এই মতবাদ যারা মেনে চলে তারা মুসলিম জাতি। এখন কথা হচ্ছে যে
অনেকেই একটি মতবাদ নিয়ে একমত বা দ্বিমত থাকতে পারে, সেটা নিয়ে আলোচনা চলতে পারে
কিন্তু এমন নয় যে সত্য নয় বা গোজামিল দিয়ে কোন ভুল তথ্যকে সত্য বলে প্রকাশ করতে
চাইলে বা ভুল তথ্য দিয়ে কোন মতবাদকে প্রতিষ্ঠা করতে চাইলেই তা সবাই গ্রহন করে
নিবে। যদি কোন সচেতন ব্যাক্তির সামনে এমন কিছু পড়ে তবে অবস্যয় সে দ্বিমত পোষন করবে
কারন তার আদর্শগত মানুষিকতা তাকে এভাবেই পরিচালিত করে।
ইসলাম
ধর্মাবলম্বীদের ভেতরে প্রায় দেখা যায় তাদের প্রধা্ন ঐশরিক গ্রন্থ পবিত্র কোরান এর
সাথে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার মিল খুজে থাকেন। তাদের ধারনা আজকের বিশ্বে বিজ্ঞানের
যত আবিষ্কার দেখা যায় তা এই গ্রন্থে অনেক আগেই উল্লেখ করা ছিলো। এসব আরো শক্তিশালী
করার জন্য কিছু বিশিষ্ঠ ব্যাক্তিদেরকে জড়িয়ে কিছু ভুল এবং মিথ্যাচার প্রকাশ করতে
থাকে, যেমন ইসলাম ধর্মের ক্ষেত্রে প্রায় শোনা যায় এরকম কিছু যে, মাইকেল জ্যাকসনের
ইসলাম ধর্ম গ্রহন বা নীল আর্মস্ট্রং চাদে গিয়ে চাদের সেই ফাটল দেখে পৃথিবীতে এসেই
ইসলাম গ্রহন করলেন ইত্যাদি কথা। এরকমই একটি কথা অনেক আগে প্রচলিত ছিলো একজন ফরাসি
চিকিৎসক যার নাম ড. মরিস বুকাইলি যিনি একজন ক্যাথলিক ধর্মের অনুসারি
ছিলেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাই ছিলেন যাকে মুসলামান ভাই এবং বোনেরা প্রায় এই
বলে মিথ্যাচার করে থাকেন যে, সে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছিলো। কিন্তু সত্য কথা এই যে
এমন কোন দলিল বা প্রমান আজ পর্যন্ত পাওয়া যায় নাই যেখানে তিনি বলেছিলেন, সে ইসলাম
ধর্ম গ্রহন করেছেন। যদি কারো কাছে এই বিষয়ে কোন প্রমান থেকে থাকে তাহলে আমাকে
জানাতে পারেন।
ড. মরিস বুকাইলি জন্ম ১৯ জুলাই, ১৯২০ মৃত্যু ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৮ যিনি ছিলেন একজন ফরাসি
চিকিৎসাবিদ অনেকেই তাকে বিজ্ঞানী বলে মিথ্যাচার করে থাকেন আসলে তিনি পেশায় একজন
সার্জন ডাক্তার ছিলেন। ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত তাঁর রচিত বাইবেল, কোরআন ও বিজ্ঞান (দ্যা বাইবেল, দ্যা
কোরান এন্ড সায়েন্স) গ্রন্থটির কারণে তিনি বিখ্যাত। বইটি পৃথিবীর প্রায় সতেরোটি
ভাষায় অনূদিত হয়েছে। মরিস এবং
মারি (জেমস) বুকাইলির পুত্র তিনি একজন ফরাসি চিকিৎসক ছিলেন। ডাক্তারী, মিশরতত্ত্ব এর ফরাসি সোসাইটির সদস্য, এবং পরবর্তিতে একজন লেখক। বুকাইলি ১৯৪৫ সাল থেকে
১৯৮২ সাল পর্যন্ত মেডিসিন চর্চা করেন এবং গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজির উপর একজন বিশেষজ্ঞ
ছিলেন । ১৯৭৩ সালে, বুকাইলি সৌদি আরবের বাদশাহ ফয়সালের পরিবারের
চিকিৎসক নিযুক্ত হন এবং একই সাথে মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতের
পরিবারের সদস্যরা তার রোগী ছিল। তখন কিছুদিনের জন্য মরিস বুকাইলি ইসলামের একজন
একনিষ্ঠ গবেষক হয়ে উঠেছিলেন, তবে তিনি কখনো ইসলাম
ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায় নাই।
তার লেখা বইটির নাম
ছিলো “দ্যা বাইবেল দ্যা কোরান এন্ড সায়েন্স” আজ থেকে ৪২ বছর আগে লেখা এই বই প্রথম
প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ সালে ফ্রান্সে। বাংলাদেশে দুইজন এই বইটি অনুবাদ করেছিলেন ২০০৮
সালে। তাদের মধ্য একজন হচ্ছেন খন্দকার রোকনুজ্জামান। আসলে আমি বই এর রিভিউ করছি না
তাই এই বই সম্পর্কে বেশি কিছু বলবো না। এই বইটি যখন প্রকাশ করা হয়েছিলো তখন ড. মরিস বুকাইলি সমালোচনার শিকার হয়েছিলেন। অনেকেই
তখন বলেছিলেন বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার সাথে গোজামিল করে কিছু মিল দেখাবার চেষ্টা করেছেন
বুকাইলি। এর সাথে অর্থ (ডলার) কেলেঙ্গারিও জড়িত ছিলো। তাকে এই নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন
করলে সে সেই সময় জবাব দিতে পারেন নাই। ডাঃ উইলিয়াম এফ ক্যাম্পবেল নামের একজন
চিকিৎসকের একটি ই-মেইল থেকে জানা যায় কিছু তথ্য যার অনুবাদ এখানে আমি দিচ্ছি।
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি লিখেছিলেন “ডাঃ মরিস বুকাইলি কি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করছিলো বা সেকি মুসলমান ছিলো ?” এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন। ইতিমধ্যেই আপনারা অনেকেই শুনে থাকবেন বুকাইলি এর বই দ্যা কোরান দ্যা বাইবেল এন্ড সায়েন্স সম্পর্কে। তিনি কোরানের নির্ভুলতা সম্পর্কে গবেষনা করেছেন। কিন্তু তিনি কখনই তার নিজের ধর্ম পরিবর্তন করেন নাই তিনি গবেষনার সময় এবং গবেষনার পরেও একজন ক্যাথলিকই ছিলেন। এই গবেষনার কারনে অনেকেই ধারনা করেন তিনি সাময়িক ভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছিলেন। কিছু পয়েন্ট দিয়ে এই গবেষনায় তিনি চেষ্টা করেছেন যে, কোরান হল ঈশ্বরের শব্দ তা প্রমান করার। কিন্তু এই বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেননি, শুধু এটুকুই বলেছেন যে এখানে অনেক কিছুই আজকের আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে মিলে যায় যেমন ভ্রুনতত্ব, সৃষ্টিতত্ব, মানব সৃষ্টি, মহাকাশ বিজ্ঞান ইত্যাদি সহ আরো অনেক কিছু। তিনি আরো বলেন আমি বুকাইলিকে ১৯৯৬ সালে soc.religion.islam এর মাধ্যমে প্রশ্ন/জিজ্ঞাসা করেছিলাম। এমন কোন প্রমান কি কারো কাছে আছে যেখানে দেখা যাবে মরিস বুকাইলি কোন ধর্মীয় উপাশনালয়ে গিয়েছেন যেমন মন্দির, মসজিদ বা এমন কোন যায়গায়। বা কেউ কি নিশ্চিত করে বলতে পারবে যে সে মুসলমান হয়ে উঠেছিলো এমন কিছু। কিন্তু আমি কোন মুসলামন এর পক্ষ থেকে এই প্রশ্নের জবাব পাইনি। আমি ডাঃ উইলিয়াম এফ ক্যাম্পবেল আরেকটি বইয়ের "কোরান এন্ড বাইবেল ইন দ্য লাইট অব হিস্ট্রি অ্যান্ড সায়েন্স" বইয়ের লেখককে ১৫ জানুয়ারী ১৯৯৬ সালে জিজ্ঞাসা করলাম আপনার কাছে কি এই সম্পর্কে কোন তথ্য আছে ? সেই প্রশ্নের জবাবে নিচে তার প্রতিক্রিয়া দেওয়া হলো।
ডাঃ
বুকাইলি তার জীবনের কিছু সময়ের জন্য সৌদিআরবের বাদশাহ, রাজা ফয়সালের
পারিবারিক চিকিৎসক হন। এই সময় তিনি তাঁর বই "দ্যা বাইবেল, দ্যা কুরআন ও বিজ্ঞান" লিখেছিলেন, যা ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। আমি মনে
করি তিনি ক্যাথলিক গির্জার প্রতি তার একপ্রকারের রাগ থেকে এই বই লিখেছিলেন, এবং তারপর তিনি আবিষ্কার করেন যে তিনি অনেক টাকা
জোগাড় করতে পারেন এই বই লেখার মাধ্যমে। তবে, তার লেখা বই এর সকল বিশ্লেষন আপনাদের
পর্যালোচনা করে দেখার অনুরোধ করবো। ১৯৭৭ সালে আমার সুপরিচিত একজন পুরুষের সাথে তিউনিশিয়াতে
দেখা হয়েছিলো যে আমাকে প্রথম এই বইয়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলো, যাকে আমি
জিজ্ঞাসা করেছিলাম ডাঃ মরিস বুকাইলি কি ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছিলো ? তিনি আমাকে তখন
জানিয়েছিলেন ১৯৭৬ সালে ডাঃ মরিস বুকাইলি তিউনিশিয়াতে আসেন একটি কনফারেন্স এ অংশগ্রহন
করার জন্য। তার বক্তৃতা শেষে আমি যখন তাকে প্রশ্ন করেছিলাম আপনি কি ইসলাম ধর্ম
গ্রহন করেছেন ? এই প্রশ্নের জবাবে ডাঃ মরিস বুকাইলি উত্তর দেন “না”।
আমার
মনে হয় না এই বিষয়ে আর আলোচনা করার প্রয়োজন আছে। আসলে ডাঃ মরিস বুকাইলি সে সময়
বিভিন্ন মহলে সমালোচিত হবার কারনে তার নামের সকল মিথ্যাচার নিয়ে লেখা ও দলিল, তথ্য
প্রমান সবই অনলাইন থেকে মুছে ফেলা হয়েছে অর্থ ব্যয় করে। তবে এই লেখাটি এখনও পাওয়া
যায় অনেক যায়গায়। বাংলাতে ডাঃ মরিস বুকাইলি সম্পর্কে তেমন কোন তথ্য না থাকায়
অনেকেই বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে যায়। আমার মনে হয় এই লেখাটি আগামীতে ডাঃ মরিস
বুকাইলি প্রসঙে কাজে দিবে। এখানে আমি ডাঃ উইলিয়াম এফ ক্যাম্পবেলের সেই ই-মেইল এর
লিংক দিয়ে দিলাম আপনারা যাচাই করে দেখতে পারেন। এখানে দেখুন
ডাঃ
মরিস বুকাইলির বইটির বাংলা অনুবাদ পড়ার পরের অনুভূতি এবং সার্বিক পর্যালোচনার পরে কিছু
মন্তব্য না করলে আমার কাছে এই আলোচনা অসুম্পুর্ন মনে হবে। এই বইটি পড়ে আমার লেখক
আরিফ আজাদের কথা খুব মনে পড়েছিলো। আমার মনে হয়েছে আমাদের বাংলাদেশের সেই ইসলামিক
মাইন্ডের লেখক, যে লিখেছিলো “প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ” নামের বই যার নাম লেখক আরিফ
আজাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তার কথা। কারন পাঠক একটু ভেবে দেখবেন বা
দুইটা বই পাশাপাশি রেখে একটি কম্পেয়ার করে দেখবেন যে, ডাঃ মরিস বুকাইলের লেখা
বইটির মটিভ নিয়েই কিন্তু “প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ” বইটা লেখা হয়েছে বলে আমার
ধারনা। এটা বিশ্লেষন করে দেখার কাজটি আমি আপনাদের দিতে চাইছি। অবশ্য অনলাইনে ও
সোস্যাল মিডিয়াতে “কপি আজাদ” বলে একটি কথা প্রচলিত আছে বর্তমানে। এটা এমন যে কেউ
কিছু কপি করে লিখলেই সেখানে বলা হয় “কপি আজাদ”র মতো কাজ। বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ
নিয়ে একটি পাবলিশার্স বেশ কিছু বই প্রকাশ করছে, বিশেষ করে ডাঃ পিনাকী ভট্টাচার্যের
কয়েকটি বই এই প্রকাশনী প্রকাশ করেছে যার নাম “গার্ডিয়ান পাবলিশার্স” আর এই “প্যারাডক্সিক্যাল
সাজিদ” বইটিও সেই গার্ডিয়ান পাবলিশার্স প্রকাশ করেছিলো। ডাঃ মরিস বুকাইলির “দ্যা
বাইবেল, দ্যা কোরান এন্ড সায়েন্স” বইটি পড়ে আমার আরেকজনের কথাও মনে হয়েছে তাকে
আপনার যারা সোস্যাল মিডিয়া ব্যাবহার করেন তারা কিছুটা চিনতে পারেন যথাসম্ভব তিনি
ছদ্মনাম ব্যাবহার করেন আমার জানা নাই তবে তার বইটি এখন অনলাইনে এভেইলেবল আছে নাম “ইসলামের
অজানা অধ্যায় পর্ব-১ ও পর্ব-২” নরসুন্দর মানুষ ও ধর্মকারী নিবেদিত ও লেখক গোলাপ
মাহমুদ এর লেখা এই বই এর ২য় পর্বে একটি উধারন দেওয়া আছে যেটা আমার খুব ভালো লেগেছে
তাই এখানে আমি সেই উদাহরনটি তুলে ধরলাম মিলিয়ে দেখুন।
“জল
পড়ে পাতা নড়ে” বলে তিনি একটি উধাহরন দিয়েছেন এই বইটির প্রথম অধ্যায়ে। ব্যাপারটা
এমন ছিলো যে “জল পড়ে পাতা নড়ে” শব্দটিকে বিজ্ঞানের আলোকে ব্যাখ্যা করতে হবে। যেমন,
তিনি করেছেন “জল পড়ে পাতা নড়ে” প্রথমে “জল” যার আরেকনাম পানি। এখানে “জল” অর্থ
জলের উপাদান হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন বোঝানো হয়েছে। “বিগ ব্যাং (Big Bang)”
এর পরে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম ছিলো
সৃষ্টির আদি এটম (Atom)। মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুর আদি উপকরন হলো এটম। পরবর্তীতে সৃষ্ট
অন্যান্য সকল এটম সৃষ্টি হয়েছে এই হাইড্রোজেন থেকে। আর অক্সিজেন আমাদের বেচে থাকার
এক অত্যাবশাকীয় উপাদান। এবার দেখুন “পড়ে”, এখানে “পড়ে” অর্থে Gravitational
force বোঝানো হয়েছে,
যা না হলে গ্রহ-নক্ষত্র-গ্যালাক্সি কোন কিছুই সৃষ্টি হতো না। গ্রহ সৃষ্টি না হলে
কোন জীবের সৃষ্টি হত না, আমরাও সৃষ্টি হতাম না। আবিষ্কারের আগে বিজ্ঞানের এই
ইঙ্গিতটি লেখক কিভাবে জেনেছেন ? সত্যি এটি এক মহাআশ্চর্য। এরপর দেখুন “পাতা” এখানে
“পাতা” অর্থে সালোক সংশ্লেষন (Photosynthesis) বোঝানো হয়েছে, যার ফলে উৎপাদন হয়
অক্সিজেন। অক্সিজেনের অভাব হলে আমরা কি বাচতে পারতাম ? “জল পড়ে পাতা নড়ে”-এর এক
একটি শব্দ বিজ্ঞানের এক একটি অভুতপূর্ব আবিষ্কারের ইঙ্গিত। কী আশ্চর্য? এরপর দেখুন
“নড়ে” এই “নড়ে” এর মধ্যে আছে বিজ্ঞানের দুইটি বিসাল ইঙ্গিত। এখানে নড়ের এক অর্থ
হলো বায়ু, বায়ু ছাড়া কি কোন কিছু নড়ে ? নড়ে না। এখানে নড়ে হলো বায়ু অর্থাৎ
বায়ুমন্ডল, অর্থাৎ “স্পেস” আর নড়ে এর আরেক অর্থ হলো বল (Force) যেখানে বায়ু নেই সেখানে কোন কিছু
নড়াতে গেলে লাগে বল। এই বল ছাড়া সব কিছু অচল।
-----------
মৃত কালপুরুষ
২৪/১০/২০১৭
















