জিহাদী মুসলমান ও
ইসলাম ধর্মের আলোচনা সমালোচনার শেষ নেই মনে হচ্ছে। সোস্যাল মিডিয়া, ব্লগ আর
বিভিন্ন ওয়য়েবসাইট এর বিতর্ক ও সমালোচনা গুলা দেখলেই যে কেউ বুঝতে পারবে তার আসল
চেহারা। আমরা খুব ভালো করেই জানি পৃথিবীতে যুগে যুগে যত রক্তের বন্যা বয়ে গিয়েছে
আর যত মানুষ হত্যা করা হয়েছে এই ধর্মের নামে তা আর অন্য কোন কারনে দেখা যায়নি। আমার ধর্ম ভালো তোমার ধর্ম খারাপ এমন মনোভাব
থেকেই যার সুত্রপাত। ধর্মকে অনেকেই ব্যাবহার করে নিজে্দের ফাইদা লুটে নিতে ব্যাস্ত। যখন কোথাও ইসলাম ধর্মাবলম্বী জিহাদী বা জঙ্গীরা মানুষ হত্যা করে তাদের
রক্ত নিয়ে রাজনীতি করে চলে যাচ্ছে, তার ঠিক পরেই আরেক দল চলে আসছে তাদের ধর্মের
গুনগান করতে। সেটা হচ্ছে হিন্দু ধর্ম ও তার অনুসারিরা। অনেকের দাবী হিন্দু ধর্ম
বলতে কিছুই নেই সবই আসলে সনাতন ধর্ম। হিন্দু ধর্মের যত খারপ ও ব্লাক সাইড আছে তা
যদি খুব ক্রিটিক্যলি একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী যাচাই বাছাই করে আর তা নিরাপেক্ষ
ভাবে পর্যালোচনা করে এবং ফলাফল সে সঠিক ভাবে বুঝে তাহলে সেই মুহুর্তে সে হিন্দু
তথা এই সনাতন ধর্ম ত্যাগ করবে আমার ধারনা। আসলে বর্তমান সময়ের মডারেট হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা
দাবী করে অন্য কিছু। তারা বলে (রাম রাম) আমাদের ধর্মে আসলে কোন হিংস্রতা নেই, আপনি
কোথাও মানুষ হত্যা করার কথা আমাদের ধর্মে খুজে পাবেন না। এমনকি দেখা যায় তারা কোথাও কোথাও দাবী
করে আমাদের ধর্ম একমাত্র সত্য ও মানবিক। তাহলে তাদের এই সত্য মানবতার ধর্ম নিয়ে আমাদের আলোচনা করতেই হয়। আর সেই চিন্তা থেকেই “আকাশ
মালিকের” অনুপ্রেরনা থেকে লেখা।
এখন কোন মডারেট
হিন্দু ধর্মানুসারিকে ডেকে যদি বলেন আপনার ধর্মটা আসলে কি এবং কেন ? তাহলে দেখবেন
১০ জনের মধ্যে ৮ জন গুলিয়ে ফেলবে তা বলতে গিয়ে। কারন এদের অধিকাংশ হিন্দু ধর্ম
সম্পর্কিত ধারনা এসেছে প্রথমেই নিজের পরিবার, মন্দিরের পন্ডিত-পুরোহিত-ব্রাহ্মন,
গীতা, ঋগবেদ, রাবনের লংঙ্কা, রামায়ন,
মহাভারত, কিছু হিন্দু সাস্ত্রের বই, আর কিছু টিভি চ্যানেলের মিথ্যাচার থেকে। কিছু
দিন আগে মহেঞ্জোদারো সভ্যতা নিয়ে একটি মুভিও খুব চলেছে ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশে।
মুভিটির নামই ছিলো মহেঞ্জোদারো। এখানে সম্পুর্ন রুপে মহেঞ্জোদারো সভ্যতাকে বিকৃত
করা হয়েছে এই মডারেট হিন্দুদের ব্রেন ওয়াশ করার জন্য। এই মহেঞ্জোদারো সভ্যতার কথা
কেন বলছি ? কারন এই সভ্যতা থেকেই তৈরি হয়েছে এই হিন্দু ধর্ম। মহেঞ্জোদারো সভ্যতা
আসলে প্রায় ৫ হাজার বছর পুরাতন একটি সভ্যতা যার প্রথম উদ্ভব হয় বর্তমান পাকিস্তান এর
দক্ষিনাঞ্চলের কিছু এলাকা নিয়ে। এখানেই প্রথম আর্যদের সভ্যতা গড়ে উঠে। আর তখনকার
যে সিন্ধু নদীর কথা আমরা জানতে পারি সেটাই ছিলো আর্যদের পবিত্র নদী। হিন্দু ধর্মের
পবিত্র নদী গঙ্গার কোন নাম গন্ধ ছিলো না হিন্দু ধর্মের শুরুতে। প্রায় ৫ হাজার
বছরের ব্যাবধানে সেই আর্য সভ্যতা চলে গিয়েছে বর্তমান পাকিস্তানের মধ্যে আর তাই
হিন্দুরা কালে কালে গঙ্গাকে বানিয়েছে তাদের পবিত্র নদী সেই সাথে হারিয়েছে সিন্ধু
নদীর নাম।
হিন্দু ধর্ম আসলে
ছিলো এই আর্যদের ধর্ম। এটাকে আমরা আর্যদের বৈদিক ধর্ম বলতে পারি যার প্রধান ও আদি
ধর্ম গ্রন্থের নাম “ঋগবেদ”। পরবর্তিতে আরো কিছু তার সাথে যোগ হয়েছে যেমন, ঋগবেদ,
সমবেদ, যজুর্বেদ, অথর্ববেদ ইত্যাদি। প্রথমে যখন ঋগবেদ ছিলো হিন্দুদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ
তখন তাদের মধ্যেও মুসলমানেদের মতো একেশ্বরবাদী একটা ধারনা ছিলো। তাই অনেকের ধারনা
হিন্দু ধর্মের শুরুতে বা বেদের সূচনাকালে এটিও একটি একেশ্বরবাদী ধর্ম ছিলো। এরপর
যুগে যুগে ব্রহ্মের অবতারগনেদের আগমন ঘটানো হয়েছে যার ফলে ঋগবেদের অনুশীলন করতে
গিয়ে এর সাথে স্থান কাল সংযোজন ও বর্ধন করে পরবর্তিতে আরো ৪টি সংস্করন তৈরি করা
হয়েছে। বর্তমানে এগুলোই হিন্দু ধর্মের প্রধান অনুসরনীয় কিতাব। এ গুলোতে বিশ্বাস করাকেই
হিন্দু ধর্ম বলে যাকে পুর্বে আর্য ধর্ম বলা হত। হিন্ধু ধর্মের এই প্রধান গ্রন্থ
গুলির ভেতরে যা আছে তা মানা না মানা সম্পুর্ন ব্যাক্তি স্বাধীন ব্যাপার বলে দাবী
করে বর্তমান যুগের আধুনিক ও স্মার্ট হিন্দুরা। তাদের দাবী আপনি মানতেও পারেন আবার
নাও মানতে পারেন তবে শুধু বিশ্বাস রাখলেই আপনি হিন্দু হতে পারেন এমন কিছু। আসলে
আমি বলবো এসব হচ্ছে ভাওতাবাজি যা বোকা হিন্দুদের ব্রেন ও্য়াশ করতে ব্যবহার করা হয়।
যারা বলে শুধু বিশ্বাস করলেই হবে মানতে হবে না বা বেদে বিশ্বাস না রেখেও হিন্দু
থাকা যায় বা বেদ কি ঈশ্বরের দেওয়া অবশ্য পালনীয় বানী যে তাকে মানতেই হবে তাদের আমি
বলবো তারা হিন্দু ধর্মের দলভারী রাখার জন্য বা দলবড় রাখার জন্য এমনটি প্রচার করছে
যাদের আমরা সহজ ভাষায় বলে থাকি ধর্ম ব্যাবসায়ী।
এখন দেখুন এই আধুনিক
যুগের হিন্দুদের কথা শুনে আপনার কেন ভালো লাগবে। তাদের দাবী চীনের কুনফুসিয়াস ধর্ম
বা দর্শন এর মতো হচ্ছে এই হিন্দু ধর্ম। এটা মানা মানির কোন ধর্ম নয়, কারন এর
শাস্ত্রীয় কোন বিধি বিধান নেই, কিছু মানা বাধ্যতা মূলক নয়, মানা না মানা ঐচ্ছিক
ব্যাপার, এটি একটি লোকায়ত দর্শন, একটি জাতি বা একটি দেশের লোকাচার, যাপিত জীবন ও
সংস্কৃতির ইতিহাস মাত্র। এসব কথা শুনতে বেশ ভালো লাগলেও আসল গন্ডগোল দেখুন কোথায়
এখানে বেদ থেকে কয়েকটি উদাহরন দেখুন “হে ঈশ্বর, যারা দোষারোপ করে বেদ ও
ঈশ্বরের/তাদের উপর তোমার অভিশাপ বর্ষন করো। (ঋগবেদ ২,২৩,৫)” আরো দেখুন “যে লোক ঈশ্বরের
আরাধনা করেনা, এবং যার মনে ঈশ্বরের প্রতি অনুরাগ নেই, তাকে পা দিয়ে মাড়িয়ে হত্যা
করতে হবে। (ঋগবেদ ১,৪৮,৮)” অনেক পুর্বে হিন্দু ধর্মের শুরুর দিকে একদল মানুষ
ভারতের বিহার এলাকায় বসবাস করতো, যাদের মূলত উপজাতি বলা হয়ে থাকে এবং “কিটক্যাট” (Kitkatas) নামে ডাকা হতো যারা বেদে বিশ্বাস করতো না, তাদের
নিয়ে বেদের মাধ্যমে ভগবানের আদেশ দেখুন “গবাদি পশুগুলো কি করছে এই কিটক্যাটদের (Kitkats) এলাকায়, যাদের বৈদিক রীতিতে বিশ্বাস নেয়, যারা
সোমার সাথে দুধ মিলিয়ে উৎসর্গ করে না এবং গরুর ঘি প্রদান করে যজ্ঞও করেনা ? ছিনিয়ে
আনো তাদের ধন সম্পদ আমাদের কাছে। (ঋগবেদ ৩,৫৩,১৪)” আরো দেখুন “যে ব্যাক্তি
ব্রাহ্মনের ক্ষতি করে, ব্রাহ্মনের গরু নিজের কাছে লাগায় তাকে ধ্বংস করে দাও।
(অথর্ববেদ ১২,৫,৫২)” আরো দেখুন “তাদেরকে হত্যা কর যারা বেদ ও উপাসনার বিপরীত।
(অথর্ববেদ ২০,৯৩,১)” এবং “তাদের যুদ্ধের মাধ্যমে বশ্যতা মানাতে হবে। (যজুর্বেবেদ
৭/৪৪)”।
আপাতত এগুলই যথেষ্ট
মডারেট হিন্দুদের জন্য, যারা দাবি করে আমাদের ধর্মে খুনা-খুনি, হত্যা, লুটপাট আর
যুদ্ধ নেই। শুধু তাই না এই হিন্দুরা আজ থেকে বহু বছর আগে এমন কিছু বর্বর অমানবিক আচার
ও প্রথা পালন করে আসতো যা মানব সভ্যতার জন্য হুমকি স্বরুপ ছিলো। যুগে যুগে
বিজ্ঞানের আধুনিকায়ন এর ফলে এর অনেক কিছুই আজ আর হিন্দুদের পালন করতে দেখা যায় না।
খুব বেশিদিন আগের কথা নয় মাত্র ২০০ বছর আগের কিছু ইতিহাস পড়লেই আপনি খুব পরিষ্কার
ভাবে জানতে পারবেন হিন্দু ধর্মের কিছু অমানবিক আর বর্বর রীতিনীতি ও ধর্মীও আচার
অনুষ্ঠানের কথা যা তারা ঈশ্বর বা ভগবান প্রদত্ত নিয়ম হিসাবে পালন করতো। এর মধ্যে
অন্যতম হচ্ছে “সতীদাহ” প্রথা। এটি হচ্ছে ইতিহাসের একটি বড় নজিরবিহীন মারাত্মক
পাশবিক জঘন্য বর্বর রীতি ছিলো এই হিন্দু ধর্মে যা ভগবানের আদেশ বলে তারা পালন
করেছে যুগ যুগ ধরে। বর্তমানে আধুনিক হিন্দুদের এই কথা বললে তারা দাবী করে এটা আসলে
হত্যা না এটা ছিলো “সহমরন”। আসলে হিন্দুরা নারীকে দোষ দেয়ার লক্ষ্যে এর নাম
দিয়েছেন “সহমরন”। এই হিন্দু ব্রাহ্মনদের জ্ঞানের বাহার দেখুন তারা আবার বলে এটা
নাকি “ইচ্ছেমরন”। আসলে এদের এই প্রথাকে আমরা এক প্রকার গনহত্যার আওতায় ফেলতে পারি
কারন একটু ইতিহাস ঘাটলে দেখতে পারবেন কি পরিমান নারীকে আজ থেকে ২০০ বছর আগে এই
হিন্দুরা সতী বানাতে গিয়ে জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে যা ভাবলে আপনার গায়ে কাটা
দেবে।
“সতীদাহ” হচ্ছে
হিন্দু ধর্মের একটি ভগবান প্রদত্ত নিয়ম কিছুদিন আগে ব্রিটিষ শাসনামলে সরকার এটি
একটি অমানবিক হত্যা ও বর্বর অসভ্য নিয়ম বলে আইন করে বন্ধ করেছিলেন। এটা এরকম ছিলো
যদি কোনো ব্রাহ্মনবাদীদের কোন হিন্দু স্বামী বা বিবাহিত পুরুষ মারা যায় তাহলে
তাদের বিধবা স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে মেরে ফেলে “সতী” বানাতে হবে। এই বীভৎস ধর্মীয়
রীতিনীতির প্রতি ইঙ্গিত করে Pascal বলেছেন Men never do evil so completely and
cheerfully as when they do it from religious conviction. আসলেই কি হিন্দু নারীরা তার স্বামীর মৃত্যুর পরে
স্বেচ্ছায় স্বামীর চিতায় উঠে সহমরনে যেতেন ? আমার তো মনে হয় না আর সেটাই হবার কথা।
তাহলে নিশ্চয় এটা ছিলো এক একটি হত্যা ও বর্বর ধর্মীয় প্রথা যা বন্ধ করতে ইংরেজ
শাসনামলে আইন করে ভগবানের এই আদেশ রুখতে অনেক কাঠ খড় পোড়াতে হয়েছে। “ধর্মশাস্ত্রের
ইতিহাস” (আট খন্ড) গ্রন্থের “সতী” বিষয়ক কয়েকটি অধ্যায়ের বেশ কিছু পরিসংখান থেকে
আমরা জানতে পারি কিছু গনহত্যা টাইপের এই হিন্দুদের দ্বারা মানবতা বিপর্যয়ের কথা।
এই বই এর পরিসংখ্যানে দেখা যায় আজ থেকে মাত্র ২০০ বছর আগে ১৮১৫ সাল থেকে ১৮১৮ সাল
পর্যন্ত মাত্র তিন বছরে শুধুমাত্র (তৎকালীন বারাণসী পর্যন্ত বিস্তৃত) বাংলাতেই
ভগবানের আদেশ পালন করতে হিন্দু ব্রাহ্মনরা নারীর সতীত্ব রক্ষার গান গেয়ে ২৩৬৬ জন
নারীকে আগুনে পুড়িয়ে কাবাব করে সতী বানিয়েছে। এদের মধ্যে কলকাতাতেই সতীদাহের
সংখ্যা ছিলো ১৮৪৫ নারী। আর ১৮১৫ সাল থেকে ১৮২৮ সাল পর্যন্ত শুধু বাংলাতেই ভগবানের
আদেশে ৮১৩৫ জন নারীকে জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে সতী বানিয়েছিলেন ঠাকুর ও পুরোহিতগন। এটা
কে কি বলবেন আপনি ? এটা কি জঘন্য-বর্বর ধর্মীয় রীতি নয় ? এটা কি গনহত্যা থেকে কোন
অংশে কম ?
বিভিন্ন ইতিহাস থেকে
আমরা যেটা জানতে পারি এবং ঐতিহাসিকগনের মত নিয়ে যেটা প্রমানিত হয়েছে সেটা হচ্ছে
কোন হিন্দু নারীর স্বামী মারা গেলে তাকে বিভিন্ন উপায়ে সেই স্বামীর চিতায় আগুনে
পুড়িয়ে হত্যা করার নামই ছিলো “সতীদাহ”। এখন কোন নারীতো আর সেচ্ছায় আগুনে পুড়ে মরতে
চাইতো না, তাই ঠাকুর ও পুরোহিতরা স্বামী মারা যাওয়া সেই নারীকে বিভিন্ন উত্তেজক
পানীয় পান করাতেন কিংবা খুব শক্তিশালী নেশা জাতীয় দ্রব্য শুকিয়ে অজ্ঞান করে বা
অর্ধচেতন অবস্থায় স্বামীর চিতায় তুলে দিতেন। এবিষয়ে ভারতের উন্নতম মানবতাবাদী লেখক
ডাঃ সুকুমারী ভট্টাচার্য তার “প্রাচীন ভারতে নারী ও সমাজ” গ্রন্থে উল্লেখ করেন “সদ্য
বিধবা নারী নববধুর সাজে, তার শ্রেষ্ঠ পোষাক পরে, সিদুর, কাজল, ফুলমালা, চন্দন,
আলতায় সুসজ্জিত হয়ে ধীরে ধীরে সে চিতায় উঠে, তার স্বামীর পা দুটো বুকে আকড়ে ধরে বা
মৃতদেহকে বাহুতে আলিঙ্গন করে, এইভাবে যতক্ষন না আগুন জ্বলে সে বিভ্রান্তির সাথে
অপেক্ষা করে। যদি শেষ মুহুর্তে বিচলিত হয় এবং নীতিগত, দৃশ্যগতভাবে ছন্দপতন ঘটে তাই
শুভাকাঙ্খীরা তাকে উত্তেজক পানীয় পান করান। এমনকি পরে যখন আগুনের লেলিহান শিখা
অসহনীয় হয়ে ওঠে, পানীয়র নেশা কেটে যায়, তখন যদি সেই বিধবা বিচলিত হয়ে পড়ে, সতী’র
মহিমা ক্ষুন্ন হবার ভয় দেখা দেয়, তখন সেই শুভাকাঙ্ক্ষীরাই তাকে বাশের লাঠি দিয়ে
চেপে ধরে, যদি সে চিতা থেকে নেমে আসতে চায়, প্রতিবেশী, পুরোহিত, সমাজকর্তা সকলেই
অনুষ্ঠানের সাফল্যের জন্য অতিমাত্রায় সাহায্য করতে চায়। তারা গান করে ঢাক বাজায়
এতো উচ্চ স্বরে জয়ধ্বনি দেয় যে, সতী যা কিছু বলতে চায় তা সবই উচ্চনাদে ঢেকে যায়।
(প্রাচীন ভারতে নারী ও সমাজ, পৃষ্ঠা ১৪৭)। পরবর্তিতে আরো জানানোর চেষ্টা করবো।
---------- মৃত
কালপুরুষ
২৭/১০/২০১৭

















